রাজশাহীতে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। ভোর থেকে ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নগর ও জেলার স্বাভাবিক জনজীবন। কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, ভোগান্তিতে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে ভোর ও সকালজুড়ে কুয়াশার ঘনত্ব বেশি থাকায় দৃশ্যমানতা কমে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে আন্তঃজেলা ও স্থানীয় সড়কে চলাচলকারী যানবাহনে। অনেক এলাকায় সকাল পর্যন্ত সূর্যের দেখা না মেলায় শীতের অনুভূতি আরও বেড়েছে।
শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ ও ছিন্নমূল জনগোষ্ঠী। খোলা আকাশের নিচে থাকা মানুষেরা শীত থেকে বাঁচতে আগুন জ্বালিয়ে রাত কাটাচ্ছেন। শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে শিশু ও বয়স্কদের হাসপাতালে আসার সংখ্যাও বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চিকিৎসকেরা।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, উত্তরাঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শীতল বাতাস এবং কুয়াশার কারণে তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কম অনুভূত হচ্ছে। আগামী কয়েক দিন ভোররাত ও সকালে কুয়াশা অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে শীত মোকাবিলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন এলাকায় শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, প্রয়োজনের তুলনায় তা এখনো অপ্রতুল। তারা দ্রুত আরও শীতবস্ত্র ও সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
ঘন কুয়াশা ও শীতের এই পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে, সে দিকেই এখন তাকিয়ে আছে রাজশাহীর মানুষ।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে ভোর ও সকালজুড়ে কুয়াশার ঘনত্ব বেশি থাকায় দৃশ্যমানতা কমে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে আন্তঃজেলা ও স্থানীয় সড়কে চলাচলকারী যানবাহনে। অনেক এলাকায় সকাল পর্যন্ত সূর্যের দেখা না মেলায় শীতের অনুভূতি আরও বেড়েছে।
শীতের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ ও ছিন্নমূল জনগোষ্ঠী। খোলা আকাশের নিচে থাকা মানুষেরা শীত থেকে বাঁচতে আগুন জ্বালিয়ে রাত কাটাচ্ছেন। শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে শিশু ও বয়স্কদের হাসপাতালে আসার সংখ্যাও বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চিকিৎসকেরা।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, উত্তরাঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শীতল বাতাস এবং কুয়াশার কারণে তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কম অনুভূত হচ্ছে। আগামী কয়েক দিন ভোররাত ও সকালে কুয়াশা অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
এদিকে শীত মোকাবিলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন এলাকায় শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, প্রয়োজনের তুলনায় তা এখনো অপ্রতুল। তারা দ্রুত আরও শীতবস্ত্র ও সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
ঘন কুয়াশা ও শীতের এই পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে, সে দিকেই এখন তাকিয়ে আছে রাজশাহীর মানুষ।
মিস আনিসা আক্তার :